পাকিস্তানের ট্রাফিক ব্যবস্থার চিত্র I

Sharing is caring!

পাকিস্তানের জনসংখ্যা প্রায় ১৯১ মিলিয়ন এবং এই দেশের পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাপক এবং বৈচিত্র্যময়।পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সময়ে তারা জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ করেছে এবং মোটরওয়ে তৈরি করেছে।মোটরওয়ে পাকিস্তানের বাণিজ্য এবং সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করেছে।পাকিস্তান তাদের রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করেছে এবং বিমান ও সমুদ্র বন্দর নির্মান করেছে।

পাকিস্তানের পরিবহন ব্যবস্থা :

বর্তমানে পাকিস্তানের পরিবহন ব্যবস্থা অনেক আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর।যা অন্য সকল উন্নত বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করছে।

মোটরওয়ে,

পাকিস্তানের পরিবহন চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে ১৯৯০ সালে মোটরওয়ে তৈরি শুরু হয় যা বর্তমানে আরও আধুনিক এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করা হয়েছে।পাকিস্তানে ১৯৯৮ সালে প্রথম লাহোরে এই মোটরওয়ে সংযোগ করা হয়।মোটরওয়ে পাকিস্তানের পরিবহন ব্যবস্থার চিত্র বদলে দিয়েছে।যার ফলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হচ্ছে পাকিস্তান।সময়ের সাথে তারা তাদের পরিবহন ব্যবস্থা বদলেছে।

হাইওয়ে,

পাকিস্তানে ১৯৯০ সালে হাইওয়েতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া শুরু করে।কারন এই হাইওয়ের মাধ্যমে আর্থিক সকল বিষয় জড়িত।যার কারনে ১৯৯০ সালে পাকিস্তান পুনঃনির্মানের প্রকল্প হাতে নেয়।যা বর্তমানে আধুনিক এবং দুর্গম এলাকায় রাস্তা ভালো।যার কারনে ট্যুরিস্ট বা সাধারন মানুষের যাতায়াতে কোন সমস্যা হয় না।

পাকিস্তানের বাস,

পাকিস্তানে ভ্রমণের জন্য বাসগুলো বেশি ব্যবহার করা হয়।বিভিন্ন শহরে যাতাযায়াতে বাস প্রধান ভূমিকা রাখে।এছাড়া করাচি এবং লাহোরে বড় সিএনজির প্রচলন বেশি।তবে ইসলামাবাদে মিনিভ্যান গুলো ট্রাফিক সমস্যার কারন হতে শুরু করেছে।যার কারনে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয় রাস্তায়।

পাকিস্তানের ট্রাফিক ব্যবস্থা,

আধুনিক বিশ্বে ট্রাফিক ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি যেমন হচ্ছে তেমনি বিভিন্ন সমস্যা এখনও আছে পাকিস্থানের ট্রাফিক ব্যবস্থায়।যদিও তারা উন্নত বিশের সাথে পাল্লা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।তবে তাদের ট্রাফিক আইন এর দুর্বলতা এবং মানুষ আইন না মানার কারনে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

পাকিস্তানের আধুনিক ট্রাফিক আইনের সাথে বর্তমান মানুষ এখনও খাপ খাইয়ে নিতে পারে নি।যার ফলে মানুষের নিরাপত্তার অভাব তৈরি হচ্ছে,সড়কের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে,পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গাড়িতে এক বা তিনটি সিএনজি কিট ব্যবহার করা হয়।যার কারনে যাত্রীদের জন্য এই সমস্যা বিপদ তৈরি করে।

পাকিস্তানের ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় সকল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করে থাকে।তাছাড়া প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থা থাকলেও তা বড় বড় শহরগুলোতে।ছোট শহরগুলো এই ধরনের কোন ব্যবস্থা নেই যার কারনে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয় ট্রাফিক নিয়ে।পাকিস্তানে কঠোর আইনের অভাবের ফলে প্রতিনিয়ত মানুষ তাদের জীবন হারাচ্ছে।অন্য সকল দেশে ট্রাফিক জরিমানা কঠোর ভাবে পালন করা হলেও পাকিস্তানে এই বিষয়ে উদাসীন ফলে গাড়ির ড্রাইভার নিজের ইচ্ছা মত গাড়ি চালায় এবং একই লেনে সকল গাড়ি চলে।

সমাধান:

সাধারন মানুষের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।আইন না মানার কারনে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে।পাকিস্তানের আইন কঠোর করতে হবে।ট্রাফিক আইন কঠোর করতে হবে এবং জরিমানা ব্যবস্থা করতে হবে।এক্ষেত্রে সকল গাড়ির মালিক আইন মানতে বাধ্য থাকবে।

একই লেনের ব্যবস্থা না করে ৩ থেকে ৪ লেনের ব্যবস্থা করতে হবে।যাতে সকল গাড়ি ঠিক ভাবে যেতে পারে এবং ট্রাফিক জ্যাম না হয়।এতে সড়ক দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলা যাবে।

উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন ধারনা কাজে লাগিয়ে ব্যবস্থা করা যায়।মানুষকে নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানানো।নতুন ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জানানো।

পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা যাতে করে সড়ক দুর্ঘটনা না ঘটে।এছাড়া গাড়ির ড্রাইভারের প্রশিক্ষন,লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা।ফলে প্রতিটি ড্রাইভার জানবে কিভাবে কোন রাস্তায় গাড়ি চালানো উচিত এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারনা থাকবে ও মেনে চলবে।

 

—  মুমতাহিনা প্রমি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares