নেক্সপার্কঃ পার্কিং এর নতুন দিনের সূচনা I

Sharing is caring!

রাস্তায় নামলেই নানা ধরণের নানা রকমের গাড়ী দেখতে পাই, বর্তমানে গাড়ীর সংখ্যা এতই বেড়ে গেছে যে বাসা থেকে বের হলেই জ্যামের মুখে পড়তে হবেই। ঢাকা শহরে গাড়ীর সংখ্যা এত বেশী যে জ্যামের কারণেই বছরে বিশাল একটা অংকের টাকা নষ্ট হয়ে যায় ,আর মানুষের সময় তো আছেই। তবে প্রযুক্তি যে ভাবে অগ্রসর হচ্ছে এই দশকে, তাতে এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হবে কিছু টা। আগামী ২০২৫ সালের মাঝে টয়োটার বানানো প্রতিটি গাড়ি বৈদ্যুতিক মটরে চলবে । পরিবেশ বাঁচাতে ও জ্বালানী ফুরিয়ে যাওয়া রোধ করতেই এমন ঘোষণা দিয়েছে টয়োটা। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু দেশ ও প্রদেশে পেট্রোল চালিত গাড়ি দ্রুতই নিষিদ্ধ করার আইন প্রণয়ন হয়েছে। এছাড়া পেট্রোল গাড়ি নিষিদ্ধ করার তালিকায় রয়েছে চীনও। তবে সকল গাড়িই পেট্রোল ইঞ্জিনবিহীন হবে তা নয়। সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির পাশাপাশি হাইব্রিড গাড়িও তৈরি করবে তারা। সূত্র দ্য ভার্জ, পিওয়াইএমএনটিএস ডট কম। ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মডেলের গাড়ি তৈরি করবে। প্রথমে সেগুলো চীনের বাজারে ছাড়া হবে। এছাড়াও, খুব দ্রুতই জাপান ও অন্যান্য দেশে রফতানি শুরু করবে টয়োটা। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ১০লাখ বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ি বিক্রি হবে বলে তারা আশা করছেন। সে যাক গে, আজকে আমরা যেটি নিয়ে জানবো সেটি নিয়েই বরং শুরু করা যাক, সর্বপ্রথম ১৮৩৭ সালে প্রথম ইলেকট্রিক কার উৎপাদিত হয়। কিছুদিন যাবত সেটি আবার প্রযুক্তির সহায়তায় আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। শুরুতেই ইলেকট্রিক কার বলতে যা বুঝায় তা হল গাড়ীটিতে ইলেকট্রিক সাপ্লাই দেওয়া হবে, সেটি ব্যাটারির মাধ্যমে সঞ্চয় করে মটর চালাবে,যার সাথে চাকা কানেক্ট করা থাকবে ফলে মটরের ঘূর্ণনের ফলে চাকা ঘুরবে ফলে, গাড়িটি চলবে সো বলা যায়, মটরের কারণেই গাড়িটি চলতে শুরু করবে, ফলে এতে ক্লাচ,গিয়ারবক্স অথবা এগজস্ট পাইপের কোন দরকার ই পড়ছে নাহ। মানে হল মোটরটি ব্যাটারির সঞ্চিত চার্জ কাজে লাগিয়ে কাজ করবে। এর জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ব্যাটারি চার্জ করতে হবে স্পেশাল চার্জিং পয়েন্ট এ যুক্ত করে।

 

— আন্থনি রজারিও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares