গাড়ি হ্যাকিং !

Sharing is caring!

এফবিআই এবং ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেইফটি অ্যাডমিনস্ট্রেশন (এনএইচটিএসএ) বলছে , বিভিন্ন মোটর গাড়ি হ্যাকিংয়ের কবলে পড়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। আর এ কারনেই ২০১৫ সালের জুলাই মাসে অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান ফিয়াট ক্রাইসলার যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত তাদের ১৪ লাখ গাড়িতে পুনরায় সফটওয়্যার ইনস্টল করে।

এ ছাড়াও ২০১৫ সালে জেনারেল মোটর্স একটি স্মার্টফোন অ্যাপে নিরাপত্তাবিষয়ক আপডেট আনে। আপডেট দেওয়া না হলে এই অ্যাপ দিয়ে হ্যাকাররা হাইব্রিড বৈদ্যুতিক শেভ্রোলে ভোল্ট গাড়ির ইঞ্জিন চালু এবং গাড়ির দরজা খোলার মত কিছু কাজের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারত।

গাড়ির আরেক জায়েন্ট বিএমডব্লিউ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ২২ লাখ গাড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংশোধন করেছে, যেগুলোর রিমোটচালিত দরজা হ্যাকাররা খুলতে পারার আশংকা ছিল আর তাই গাড়ি হ্যাকিং সমস্যা খুব দ্রুত সমাধানে নির্মাতাদের চেষ্টা করতে হবে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুটি গাড়ির প্রধান বাণিজ্যিক সমিতি- দ্য অ্যালায়েন্স অফ অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স এবং অ্যাসোসিয়েশন অফ গ্লোবাল অটোমেকারস, ইনফরমেশন শেয়ারিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেন্টার নামে একটি গ্রুপ খুলেছে অনলাইনে । সেখানে গাড়ি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য এবং এর আশঙ্কা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।

— অ্যান্থনি রোজারিও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares